?> টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে কৃষকের খেতের কলা কেটে নষ্ট করল দুর্বৃত্তরা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে কৃষকের খেতের কলা কেটে নষ্ট করল দুর্বৃত্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে কৃষকের খেতের কলা কেটে নষ্ট করল দুর্বৃত্তরা

কৃষি ডেস্ক: টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা গ্রামে সম্প্রতি এক কৃষকের কলা খেতের ফল নষ্ট করার ঘটনা ঘটেছে। রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা প্রায় এক বিঘা জমির কলার কাঁদি কেটে মাটিতে ফেলে রাখে। এতে স্থানীয় কৃষক মিজানুর রহমান বিপ্লবের দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় পুরো এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মিজানুর রহমান বিপ্লব অনেক অর্থ ব্যয় করে এবং বড় স্বপ্ন নিয়ে এই কলাবাগানটি গড়ে তুলেছিলেন। বাগানে কলার বেশ ভালো ফলনও হয়েছিল এবং ফসলগুলো বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠেছিল। ঠিক এমন সময়ে অজ্ঞাত শত্রুতার জেরে রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা প্রায় দুই শতাধিক কলার কাঁদি কেটে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়। এই আকস্মিক লোকসানে কৃষক পরিবারটি অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় পড়েছেন এবং চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক অবিলম্বে এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকার তাগিদে এবং পুনরায় চাষাবাদ শুরু করার জন্য সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি সহযোগিতা কামনা করেছেন। এই বিষয়ে স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি। এলাকার অন্যান্য বাসিন্দারাও অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনাটি জানার পর পরই স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ তৎপর হয়ে ওঠে এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাগানটি সরেজমিন পরিদর্শন করে। ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাসুদুর রহমান মাসুদ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি বীরতারা ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য পাঠিয়েছেন। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ঝিনাইদহে পূর্বশত্রুতার জেরে কৃষকের ফলন্ত কলাবাগান কেটে নষ্ট করল দুর্বৃত্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঝিনাইদহে পূর্বশত্রুতার জেরে কৃষকের ফলন্ত কলাবাগান কেটে নষ্ট করল দুর্বৃত্তরা

ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে এক কৃষকের ফলন্ত কলাবাগান কেটে সাবাড় করে দেওয়া হয়েছে। মির্জাপুর ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি এই জঘন্য ঘটনাটি ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মাসুম আলী দীর্ঘদিন ধরে নিজের জমিতে এই কলার চাষ করে আসছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার বাগানের সব গাছ কেটে ফেলে রেখে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত মাসুম আলী দীর্ঘদিন ধরে নিবিড় পরিচর্যা করে ৩০ শতক জমিতে এই কলাবাগানটি গড়ে তুলেছিলেন। বাগানের গাছগুলোতে সবেমাত্র থোড় আসতে শুরু করায় তিনি আগামী কিছুদিনে ভালো ফলন ও লাভের আশা করছিলেন। কিন্তু দুর্বৃত্তদের এই হামলায় তার প্রায় ৭০ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি তার স্বপ্নের বাগানটি সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় দেখতে পান।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক মাসুম আলী জানান যে পূর্বশত্রুতার জের ধরেই তার বাগানটি পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে মির্জাপুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাকিব হোসেন তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান যে একজন কৃষকের ওপর এমন অত্যাচার অত্যন্ত দুঃখজনক এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

এ ঘটনায় শৈলকূপা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মোল্লা। পুলিশ ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে কৃষকের ফলন্ত বাগান কেটে ফেলার এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।


আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

বার্তাবেলা ডেস্ক: সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না বলে দাবি করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৌচাক মোড়ে ‘গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

মান্না বলেন, এই সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না। কারণ এরাই সিন্ডিকেট, আর সিন্ডিকেটই সরকার।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। দেশের জনগণকে এই সরকারের হাত থেকে মুক্ত করেই আমরা ফিরবো। ঢাকা মহানগরের সব থানা থেকে শুরু করে সারাদেশে আমরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চালিয়ে যাবো। পাশাপাশি শেখ হাসিনা সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার কর্মসূচিও থাকবে।

তিনি জানান, ১৬ ফেব্রুয়ারি গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল হবে। ১৫-১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, ফার্মগেট, খামারবাড়ি এবং ২৩-২৪ তারিখে খিলগাঁওয়ে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি হবে। ২০-২২ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের কর্মসূচি থাকবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, এর মানে বার্তা পরিষ্কার, আমরা তোমাকে মানছি না, রাজপথ ছাড়ছি না। তোমাকে যেতে হবে।

মান্নার সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারসহ নেতারা।

মান্না বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে লুটপাট করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। ব্যাংক ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার নেই, টাকা নেই। সরকারের কাছেও টাকা নেই।


যশোরে বাড়তি উৎপাদন খরচে আমন চাষ নিয়ে কৃষকদের দুশ্চিন্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

যশোরে বাড়তি উৎপাদন খরচে আমন চাষ নিয়ে কৃষকদের দুশ্চিন্তা

কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে আমন ধান চাষের খরচ সামলানো নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন যশোরের কৃষকরা। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজেল, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবার বিঘাপ্রতি উৎপাদন খরচ প্রায় দুই থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ বাজারে উৎপাদিত ধানের দাম তুলনামূলক কম থাকায় কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এই চিত্র উঠে এসেছে।

কৃষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এক বিঘা জমিতে আমন আবাদ করতে সব মিলিয়ে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল, যা এবার বেড়ে ১৮ থেকে ২১ হাজার টাকায় দাঁড়াচ্ছে। ডিজেলের দাম দুই দফায় বাড়ায় ট্রাক্টরে জমি চাষের খরচ প্রতি ধাপে বেড়েছে। পাশাপাশি, খুচরা বাজারে সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে চড়া মূল্যে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দিনমজুরের মজুরি বৃদ্ধি এবং কীটনাশকের বাড়তি দাম, যা কৃষির সামগ্রিক ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

যশোর সদর উপজেলার কৃষক অলিয়ার রহমান অতিরিক্ত দামে সার কেনার কষ্টের কথা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি টাকা দিয়ে টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া সার কিনতে হয়েছে তাকে, যা ধান চাষ করে টিকিয়ে রাখা দুরূহ করে তুলেছে। ভায়না গ্রামের আরেক কৃষক তোফাজ্জেল মোল্যা জানান, মাত্রাতিরিক্ত খরচের কারণে বাধ্য হয়ে চাষাবাদ ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কৃষকদের আর কোনো উপায় দেখছি না তারা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় এবার বিশাল জমিতে আমন ধান আবাদ করা হয়েছে এবং ফলন তোলার সময় ধান বিক্রির যে বাজারদর পাওয়া যায়, তাতে উৎপাদনের খরচ তোলা নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, ডিজেল ও সার বেশি দামে কিনতে হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। তিনি মনে করেন, আমনের এই বাড়তি খরচ পুষিয়ে নেওয়ার একমাত্র উপায় হতে পারে বাজারে ধানের দাম বাড়ানো, অন্যথায় কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।